জাপান আগামী জানুয়ারি থেকে জরুরি মজুদের জন্য মাস ভিত্তিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনা শুরু করতে যাচ্ছে। এর আগে শীতকাল বা চাহিদার শীর্ষ মৌসুমেই কেবল অতিরিক্ত এলএনজি কিনত দেশটি। বর্তমানে সরবরাহ ঝুঁকি মোকাবেলায় জাপান সরকার এ নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। দেশটির ইন্ডাস্ট্রি মিনিস্ট্রির সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্স।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি আমদানিকারক দেশ জাপান। দেশটি স্ট্র্যাটেজিক বাফার এলএনজি (এসবিএল) কর্মসূচির আওতায় প্রতি মাসে অন্তত একটি কার্গো বা প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি কিনবে। এ হিসাবে বছরে কমপক্ষে ১২টি কার্গো বা ৮ লাখ ৪০ হাজার টন এলএনজি মজুদ থাকবে। গত দুই বছর জরুরি মজুদ ছিল বছরে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার টন।
এসবিএলের অধীনে কেনা কার্গো কোনো জরুরি পরিস্থিতি না হলে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করা বা আন্তর্জাতিক বাজারে পুনরায় বিক্রি করা যায়। কার্গো জাপানের বন্দরে পৌঁছার ১৮ দিন আগে পর্যন্ত জেরা (সরবরাহকারী কোম্পানি) সেই এলএনজি কার্গো নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখে। পুনরায় বিক্রিতে ক্ষতি হলে তা সরকার বহন করে, লাভ হলে সরকারকে ফেরত দিতে হয়।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে জেরা টানা দুই শীত মৌসুমে প্রতি মাসে একটি করে এলএনজি কার্গো কিনে এসবিএলের মজুদ বাড়িয়েছে। তবে জরুরি অবস্থার জন্য কখনই এ মজুদ ব্যবহার করা হয়নি। মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্ট আরেক সূত্র জানায়, ২০২৬ সাল থেকে পুরো বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর প্রতি মাসে অন্তত একটি করে এসবিএল কার্গো কিনবে জেরা। চলতি বছরের ডিসেম্বরেও একটি কার্গোর সরবরাহ চুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।